শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
জয়পুরহাটে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী ফোরাম ও অগ্রযাত্রা মানবাধিকার উন্নয়ন আইন সহায়তা সংস্থার ইফতার বিতরণ কুষ্টিয়ায় ইচ্ছে নদী ফাউন্ডেশনের আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচি ঝিনাইদহে আগুনে পুড়ে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু নীলফামারীতে গাছের চাপায় স্বামী-স্ত্রী ও বর্জ্রপাতে এক নারীর মৃত্যু দৌলতদিয়া অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তাকে জরিমানা রাজবাড়ীতে গাঁজাসহ নারী মাদক-কারবারি গ্রেপ্তার স্ক্র্যাচ কার্ড দিয়ে প্রতারনা করায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা কুষ্টিয়ায় দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু উত্তরণ ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে দৌলতদিয়ায় পিছিয়ে পড়া তৃতীয় লিঙ্গের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কালীগঞ্জে বেঁদে পল্লীর ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

অর্থসংকটে বিমান ; নামছে ওয়ার্কশপ, ছাপাখানা ও মাছ-মুরগির ব্যবসায়

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৫:১৯ অপরাহ্ন

করোনা মহামারির কারণে বর্তমানে অর্থসংকটে পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। অর্থ সংকটের মুখে তাই বিকল্প আয়ের খোঁজে বিমান। রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ব্যয় কমাতে কাটছে কর্মীদের বেতন। সীমিত আকারে ফ্লাইট শুরু হলেও পরিচালন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশি এয়ারলাইনগুলো।
দেশে ও বিদেশে বিমানের অফিস পরিচালনা ব্যয় শত কোটি টাকার ওপরে। বিমানের বহরের রয়েছে ১৯টি উড়োজাহাজ, যেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করতে মাসে প্রায় ২৬০ কোটি টাকা খরচ হয়। এমন পরিস্থিতিতে করোনা মহামারিতে ব্যয় কমাতে কর্মীদের বেতন কাটা শুরু করে বিমান, যা এখনও চলমান রয়েছে। তবে তাতেও সুবিধা করতে না পেরে সরকারের কাছ থেকে এক হাজার কোটি টাকা লোনও নিয়েছে সংস্থাটি।
সূত্র জানায়, বিমানের রয়েছে নিজস্ব ছাপাখানা, গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপ এবং মাছ, মুরগি, গরু, সবজি চাষের খামার। বিমানের নিজস্ব প্রয়োজনে মেটানো হয় এসব জায়গা থেকে। তবে এ খাতগুলো বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে আয়ের উদ্যোগ নিয়েছে বিমান। নতুন রুটও চালু করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। মার্চ মাসে টরন্টো, টোকিও ও চেন্নাই রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট শুরু হবে। ঢাকা-নিউ ইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইটের ব্যাপারেও উদ্যোগ চলমান রয়েছে।
রাজধানীর ফার্মগেটে বিমানের নিজস্ব জায়গায় মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিভাগ রয়েছে। একজন মহা ব্যবস্থাপকের অধীনে এই ছাপাখানায় এত দিন বিমানের বোর্ডিং কার্ড, ম্যানুয়াল, মানি রিসিট, ফরমসহ প্রয়োজনীয় মুদ্রণের কাজ করা হতো। তবে ছাপা টিকিটের ব্যবহার না হওয়া ও অনলাইনের ব্যবহার বাড়তে থাকায় ছাপার পরিমাণ কমতে থাকে। সম্প্রতি আয় বাড়াতে ছাপা খানায় আধুনিকায়ন করা হয়েছে। নতুন করে জনবল প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। বর্তমানে এ ছাপাখানায় রয়েছে জার্মানির হাইডেলবার্গ কোম্পানির প্রিন্টিং মেশিন, পোলার পেপার কাটিং মেশিন, প্লেট মেকিং মেশিন, ডাই কাটিং মেশিন, গ্লু/ম্যাট/স্পট লেমিনেশন মেশিন, প্যানা-পিভিসি প্রিন্টিং মেশিন। ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্রকাশনা বিমান প্রেসে মুদ্রণ করা শুরু হয়েছে।
এছাড়াও সাভারের গণকবাড়ী এলাকায় ৭৬ দশমিক ১২ একর জায়গা জুড়ে রয়েছে বিমান পোলট্রি কমপ্লেক্স।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর