বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
দুদকের পরিচালক হলেন কাজি সায়েমুজ্জামান মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন এর পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থ সেবা ফাউন্ডেশন জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইবিতে সভা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন রজত কান্তি দেব কক্সবাজারে দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন মিরপুরে নার্সারি ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১ ইবি ও জবি’র গবেষণা সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উন্নত চিকিৎসার জন্য চ্যালেঞ্জকে ঢাকায় প্রেরণ ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালী বাউলদের উপর হামলা ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী তৎপরতার প্রতিবাদে মানববন্ধন
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

আসন্ন বহলবাড়িয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেলের নামটিই বারবার উঠে আসছে তৃনমুল নেতা-কর্মীর মধ্য থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪১৫ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ১১:০৬ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার ইউনিয়নের তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা বিশিষ্ট সমাজ সেবক প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেল একজন সাদা মনের মানুষ ও একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তি।আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চাঁপড়া ইউনিয়নবাসী তাকে বহলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে থেকে তার নামটিই বার বার উঠে আসছে। নির্বাচন বিষয়ে বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডের সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় আওয়ামী লীগের একজন লড়াকু সৈনিক হলেন প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেল।তিনি আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারী। ২০০১ সালে বিএনপি জোট সরকারের আমলের তখনকার বিএনপির নেতা কর্মীদের হাতে কয়েকবার নির্যাতন সহ অসংখ্য বার পুলিশের হামলা মামলার শিকার হন। তারপরেও তরুণ এই আওয়ামী লীগ নেতা সেই আমলে বহলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করতে দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছেন। তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের বিপদে আপদে সব সময় এগিয়ে আসেন।ইউনিয়নের কোন গরীব অসহায় মানুষ টাকার অভাবে যদি চিকিৎসা করাতে না পারে তিনি তার পকেটের টাকা দিয়ে তাদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করে দেন। তিনি তার বাবা ও এলকার মুরুব্বীদের প্রেরণায় খুবই ছোট বেলায় থেকে সংক্রিয় ভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত। তিনি এই করোনাকালীন মহামারিতে নিজেস্ব অর্থায়ন সহ সরকারের দেওয়া সকল অনুদান রাতের অন্ধকারে নিজে গিয়ে হাজার হাজার পরিবারের মাঝে পৌছায়ে দিয়েছেন।তিনি এলকার যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার পাশাপাশি যুবকদের তার সামর্থ্য অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন।তিনি কোন সময় দলের পদ পদবী নিয়ে ভাবেন না। তিনি একজন আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী। বহলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ মানে প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেল। তিনি কৈশোর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত কোন স্বার্থ বাদে এই দলের পিছনে সময় ব্যায় করে যাচ্ছেন।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন সোনার বাংলা গড়তে সোনার মানুষ চাই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেলের মত দক্ষ কারিগর দরকার। তাই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বহলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত পাশাপাশি অবহেলিত ইউনিয়নকে মিরপুর উপজেলার মধ্যে মডেল ও আলোকিত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে উক্ত ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেলকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।নির্বাচন বিষয়ে প্রকৌশলী ফেরদৌস ওয়াহেদ রাসেলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ আমাকে নির্বাচন করতে সমর্থন দিয়েছেন। আমাকে যদি আমার দলীয় হাই কমান্ড ও কুষ্টিয়াবাসীর প্রাণ কুষ্টিয়ার উন্নয়নেরর রুপকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম এমপির ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয় এবং বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের ভোটাররা আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে চাঁপড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে তাহলে অবহেলিত বহলবাড়িয়া ইউনিয়নবাসীর মুখে হাসি ফুটানোই হবে আমার মুল লক্ষ। আমার দল বা আমার নেতাদের বাইরে আমি কোন সময় কিছু করব না। নেতারা আমাকে যে নির্দেশ দেবেন আমি অক্ষরে অক্ষরে সেটা পালন করব।নেতার সিদ্ধান্তে আমি অটল।আমার একটাই পরিচয় আমি আওয়ামী লীগ করি। নৌকা প্রতীকই আমার একমাত্র প্রতীক।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর