বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

‘বনবন্ধু’ ইকবাল আটক; মুজিববর্ষে বৃক্ষরোপণের নামে প্রতারনা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৪১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৮:৪৫ অপরাহ্ন

মুজিববর্ষে বৃক্ষরোপণের নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া ‘বনবন্ধু’ বলে নিজেকে পরিচয় দেয়া ইকবালকে আটক করেছে পুলিশ। মুজিববর্ষে গাছ লাগানোর কথা বলে ৪০ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রীর বাণী সম্বলিত চিঠি পাঠিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে জাহিদুর রহমান ইকবাল নামের একজন প্রতারককে গ্রেপ্তার কেরেছ পুলিশ।
আজ বুধবার (২৪ ফেব্র“য়ারী) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুণ-অর-রশীদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনা জানান।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের শাহ আলী ভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। তার কাছ থেকে ২৭০টি সিল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডকুমেন্টস প্রসেসিং ফাইল ১৮৪টি, মুজিব বর্ষের লোগা ব্যবহার করা ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী সম্বলিত চিঠি ৫০০টি, সিপিইউ দুটি, প্রিন্টার দুটি, স্ক্যানার একটি, মনিটর দুটি, ল্যাপটপ একটি, মোবাইল দুটি ও একটি টয়োটা করোলা গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
ইকবাল কী পরিমাণ টাকা হাতিয়েছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিসি বলেন, পাঁচশ লোকের মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে ধারণা করছি। তবে রিমান্ডে না নেয়া পর্যন্ত এ পর্যন্ত সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না।
ডিসি হারুন-অর-রশীদ বলেন, গ্রেপ্তার ইকবাল ওরফে বনবন্ধু গত ৩০ বছর ধরে কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রতারণা করে আসছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুজিব বর্ষের লোগো ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী ব্যবহার করে তিনি প্রতারণার আশ্রয় নেন। এগুলো ব্যবহার করে তিনি প্রায় ৪০ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠি দিয়েছেন। এর মাধমে তিনি তাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকাও হাতিয়ে নিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ইকবাল ‘বনবন্ধু জাহিদুর ট্রি প্লান্টেশন’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলে পরিচয় দিতেন। মুজিববর্ষে তিনি বিভিন্ন জায়গা গাছ লাগাবেন বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিতেন। ইকবাল প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করতেন। অবৈধভাবে সিল তৈরি ও সংরক্ষণ করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে মুজিববর্ষের লোগো ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির কাছে প্রায় ৪০ হাজার চিঠি পাঠিয়েছেন। কনসালটেন্ট গ্রুপ লিমিটেড, এসএম ই কনসালটেন্ট লিমিটেড, ইইএফ কনসালটেন্ট লিমিটেড নামক তিনটি অবৈধ কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং সিইও হিসেবে নিজেকে দাবি করেন। তিনি কোম্পানিগুলোর কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন লোন পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েও অর্থ আত্মসাৎ করতেন এই প্রতারক।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর