বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
দুদকের পরিচালক হলেন কাজি সায়েমুজ্জামান মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন এর পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থ সেবা ফাউন্ডেশন জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইবিতে সভা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন রজত কান্তি দেব কক্সবাজারে দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন মিরপুরে নার্সারি ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১ ইবি ও জবি’র গবেষণা সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উন্নত চিকিৎসার জন্য চ্যালেঞ্জকে ঢাকায় প্রেরণ ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালী বাউলদের উপর হামলা ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী তৎপরতার প্রতিবাদে মানববন্ধন
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

বাংলাদেশ কর্তৃক অনুসমর্থনকৃত ‘Framework Agreement on Facilitation of Cross-border Paperless Trade in Asia and the Pacific’ চুক্তিটি আগামীকাল থেকে কার্যকর

লন্ডন অফিস / ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ১:৩৮ পূর্বাহ্ন

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিতকরণের লক্ষ্যে সম্পাদিত ‘The Framework Agreement on Facilitation of Cross- border Paperless Trade in Asia and the Pacific’ আগামীকাল থেকে কার্যকর হবে । UNESCAP এর সহায়তায় ২৫টি দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ২০১৬ সনে ESCAP ভুক্ত সদস্য দেশসমূহ Framework চুক্তিটি গ্রহণ করে। কাগজবিহীন ইলেকট্রনিক মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য সংক্রান্ত ডেটা ও ডকুমেন্ট আদান প্রদান সহজীকরণের লক্ষ্যে এ চুক্তিটি গৃহীত হয়। বর্তমানে ESCAP ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশগ্রহণ করতে পারে। আজারবাইজান, বাংলাদেশ, চীন, ইরান, ফিলিপাইন ইতোমধ্যেই চুক্তিটি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনুসমর্থন করে চুক্তির পক্ষ হয়েছে । এছাড়া আর্মেনিয়া ও কম্বোডিয়া চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ESCAP ভুক্ত অন্যান্য দেশ চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। কোভিড-১৯ এর ফলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থার (আমদানি-রপ্তানি) ক্ষেত্রে সৃষ্ট জটিলতা দূরীকরণে পেপারলেস ট্রেড/ডিজিটাল ট্রেড পদ্ধতি ইতোমধ্যেই সমাদৃত হয়েছে। কোভিডোত্তর বিশ্ব বাণিজ্যে Cross- border Paperless Trade ব্যবস্থা বাণিজ্য সহজীকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া Cross- border Paperless Trade দেশের বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, ই-কমার্স ও ডিজিটাল অর্থনীতি গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। Framework Agreement টি বাস্তবায়নের ফলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য সম্পাদনের সময় ও ব্যয় হ্রাস পাবে। UNESCAP এর প্রকাশনা হতে জানা যায় যে, WTO Trade Facilitation Agreement ও UNESCAP Cross- border Paperless Trade সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বাণিজ্য বাবদ খরচ তেত্রিশ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারে যার আর্থিক মূল্য বার্ষিক দশমিক সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার। উন্নয়নশীল দেশ হতে বাংলাদেশের উত্তরণের ফলে সম্ভাব্য বাণিজ্য সংকোচন মোকাবিলায় বাংলাদেশ এ Agreement এর আওতায় কারিগরি সহযোগিতা পেতে পারে। চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে Ease of Doing Business Index এ বাংলাদেশের অবস্থান এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশ অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হবে। এছাড়া, সরকারের One Stop Service ও National Single Window Project বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনাও সৃষ্টি হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় হবে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার Digital Bangladesh গঠন ও ভিশন ২০৪১ অনুযায়ী উচ্চ আয়ের দেশ (উন্নত বাংলাদেশ) গঠনের স্বপ্ন ত্বরান্বিত হবে। Cross-border Paperless Trade Agreement টি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সহজ ও নমনীয়। ডিজিটালাইজেশনের যে কোনো পর্যায়ে উন্নত ও উন্নয়নশীল নির্বিশেষে ESCAP ভুক্ত যে কোনো দেশ এ Agreement টিতে যোগ দিতে পারে। Agreement টি কার্যকর করা হলে WTO টিএফএ এবং National Single Window পদ্ধতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহ Cross-border Paperless Trade Agreement এ যোগ দিয়ে বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। একইসাথে এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহ ই-কমার্স ও ডিজিটাল ইকোনমির ক্ষেত্রে উদ্ভুত চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলা করতে পারবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর