বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন এর পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থ সেবা ফাউন্ডেশন জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইবিতে সভা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন রজত কান্তি দেব কক্সবাজারে দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন মিরপুরে নার্সারি ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১ ইবি ও জবি’র গবেষণা সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উন্নত চিকিৎসার জন্য চ্যালেঞ্জকে ঢাকায় প্রেরণ ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালী বাউলদের উপর হামলা ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী তৎপরতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

খাম্বায় লাইনম্যান নিহত; পল্লীবিদ্যুতের ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৫০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১, ২:১৭ পূর্বাহ্ন

লাইন বিদ্যুতস্পৃষ্টে নিহত হয়ে খাম্বায় ঝুলে থাকার ঘটনায় পল্লীবিদ্যুতের ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, কুষ্টিয়ার মিরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রিমুভ সিএমও এর কাজ করার সময় লাইন ক্রু লেভেল-১ ডিলু মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে তার সাথে কাজ করছিলেন লাইনম্যান গ্রেড-১ মনির হোসেন। পোলে কাজ করার জন্য লাইনম্যান মনির হোসেন ট্রান্সফরমারের লাইন বিচ্ছিন্ন করার জন্য গেলে ট্রান্সফরমারের লাইন বিচ্ছিন্ন করার আগেই লাইন ক্রু ডিলু মিয়া পোলে উঠে কাজ শুরু করেন মর্মে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়। ওই সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু বরন করন। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, সাধারণত এই ধরনের সিএমও কাজ করার জন্য ফিডার অফ করার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র এলটি লাইনের সেকশন অথবা ট্রান্সফরমার বিচ্ছিন্ন করে এই ধরনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। লাইনম্যান কাজের পুর্বে লাইন ভালো ভাবে যাচাই করে কাজ করবে, এটা তার দায়িত্ব ছিল। কিন্তু তাদের দায়িত্বজ্ঞানের ভুলের কারণে অফিস প্রধান ডিজিএমসহ ৪ জন বরখাস্ত হলেন। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও বিদ্যুৎ সেবার মান তাদের হাতেই উন্নত হয়েছে, তবে কেন এই দুর্ঘটনার জন্য ডিজিএম, এজিএম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারসহ লাইনম্যান সাময়িক বরখাস্ত হলেন? এমন প্রশ্ন জনমনে। বিদ্যুৎ বিভাগের ওই ৪ কর্মকর্তা কর্মচারীর সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এ ব্যাপারে একজন গ্রাহক তার ফেসবুকে মন্তব্যে লেখেন-মিরপুর উপজেলার ডিজিএম অত্যন্ত দক্ষ, সৎ এবং কর্মতৎপর একজন বিনয়ী মানুষ। তাঁর কর্মদক্ষতার কারনে এ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। অনাকাংখিত ঘটনাটির জন্য উনি বা এজিএম বা জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বা লাইনম্যান কোন ভাবেই দোষী হতে পারেন না। বাপ্পী জানান, ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে (ডিলু) লাইন বন্ধ হওয়ার আগে বার বার নিষেধ করা স্বত্ত্বেও সে পোলে উঠে যায়। তার পর এ মর্মান্তিক দূর্ঘটনাটি ঘটে। তার এ করুন মৃত্যুর জন্য সকলে শোকাহত, একইসাথে ৪ জন বাক্তির বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহারের দাবি করছে মিরপুরের সুশীল সমাজ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর