বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন এর পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থ সেবা ফাউন্ডেশন জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইবিতে সভা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন রজত কান্তি দেব কক্সবাজারে দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন মিরপুরে নার্সারি ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১ ইবি ও জবি’র গবেষণা সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উন্নত চিকিৎসার জন্য চ্যালেঞ্জকে ঢাকায় প্রেরণ ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালী বাউলদের উপর হামলা ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী তৎপরতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

ছাগল-গরু নিয়ে কুষ্টিয়া উপ-কারাগার ; ৪০ বছরেও মেলেনি কয়েদী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১, ১:৩৬ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার উপ-কারাগারটিতে এখন কারারক্ষীর স্থলে ছাগল আর পুরুষ কয়েদীর স্থলে গরুর বসবাস। তবে কারগারটিকে কিশোর অপরাধ দমনে কিশোর শোধানাগার বা উন্নয়ন কেন্দ্রে রুপান্তিত করার গুঞ্জন থাকলেও কোন কার্য্যক্রম চোখে পড়েনি এখন।
প্রায় ১২ দশমিক ২ একর জমির উপর আশির দশকে অত্যন্ত সুরম্য প্রাচীর বেষ্টিতে নির্মাণ করা হয় কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় উপ- কারাগারটি। নির্মাণের ৪০ বছরেও নিবাস হিসেবে কোন কয়েদীর দেখা পাইনি এই কারাগারটি। দীর্ঘদিন কারাগারটি অরক্ষিত অবস্থায় থাকলেও ২০১৮ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে বর্তমানে কারাগারটি নিয়ন্ত্রন করে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়। সেখানে সমাজসেবা কার্যালয়ের একজন স্টাফ স্ব-পরিবারে বসবাস করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি কারাগারটি যথাযথ ব্যবহার করা হোক। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপ – কারাগারটির প্রবেশ পথে কারারক্ষী থাকার কথা থাকলেও রয়েছে দুইটি ছাগল। মূলফটকে প্রবেশ করতেই বামহাতে চোখে পড়বে মহিলা কয়েদীর ওয়ার্ড সেটাও ইট আর বাটমে ভরপুর। ভবনটির একটু সামনে গেলেই পুরষ ওয়ার্ড। সেখানে কোন কয়েদী না থাকলেও রয়েছে কয়েকটি গরু আর গবরে ভরপুর। পাশেই রয়েছে মুরগী পালনের ছোট একটি কক্ষ। হাঁস,মুরগী,গরু আর ছাগল পালনের খামার হিসেবেই বর্তমানে সময়ে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ১৬০জনকে বেসরকারী সংস্থার সহয়তায় ২৫০০ টাকা সমপরিমানে প্রনোদনা প্যাকেজ প্রদান করা হয়েছে।
শুধু তাই-ই নয় কারাবন্দীদের জন্য রয়েছে বিনোদনের ব্যবস্থা। প্রত্যেক ওয়ার্ডে টেলিভিশন রয়েছে। রয়েছে লাইব্রেরী যেখান থেকে বিভিন্ন ধরণের বই পড়তে পারেন বন্দীরা। রয়েছে পত্রিকার পড়ার ব্যবস্থা। এখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্ণার। এ কর্ণার থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানা যাবে তাঁর আত্মজীবনী পড়ে। রয়েছে ইনডোর গেম্স। দাবা, লুডু, ক্যারাম, ভলিবল সহ বিভিন্ন ধরণের খেলার ব্যবস্থা। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে কারাবন্দীদের।
কুষ্টিয়া কারাগারে ধারণ ক্ষমতা ৬০০জন হলেও শনিবার পর্যন্ত ৭৫৬ জন কারাবন্দী ছিল। এরমধ্যে ৩১৭জন সাজাপ্রাপ্ত এবং সাধারণ হাজতি ৪২৯ জন। কারাগারের হাসপাতালে ২৭টি বেড রয়েছে। আর ধারণ ক্ষমতার মধ্যে ৫৯০ জন পুরুষ আর নারী ১০জন।
কুষ্টিয়া কারা কতৃপক্ষ বা জেল সুপার মো. তায়েফউদ্দিন মিয়া জানান, বর্তমান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বন্দীদের মাঝে নিয়মিত সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক সহ অন্যান্য সুরক্ষা সাগ্রী বিতরণ করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বন্দীদের বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষন দেওয়া হয়ে থাকে। পরবর্তীতে বন্দী জীবন শেষে তারা আত্ম কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারে। কারাগার শুধু বন্দী জীবন নয়, এটা সংশোধনগারও বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর