মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

হেফাজতের ২কর্মী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩১০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১, ৩:০৫ অপরাহ্ন

 

তথ্য প্রমাণ পর্যবেক্ষণ করে শনাক্ত করা হচ্ছে হেফাজতের ২৮ মার্চের হরতালে সহিংসতা ও তাণ্ডব সৃষ্টিকারীদের। ভিডিও এবং ছবি ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উগ্রতা ও গুজব ছড়ানো পোস্ট দেখেও চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইনবোর্ড, সানারপাড় ও কাঁচপুর এলাকায় তাণ্ডবকারীদের প্রায় দুই শতাধিক ছবি ও ভিডিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এসেছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত এমন দুজনকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। গ্রেফতাররা হলেন- হেফাজতকর্মী মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে মুন্না (২২) এবং মুফতি লোকমান হোসাইন আমিনী। এরা দুজনই হেফাজতে ইসলামের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকা থেকে হেফাজতকর্মী মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে মুন্নাকে এবং রূপগঞ্জ থেকে মুফতি লোকমান হোসাইন আমিনীকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেফতার মুন্না খুলনা জেলার পাইকগাছা এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় গত ২৮ মার্চ হেফজতে ইসলামের হরতালের সহিংসতায় অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন ছবি প্রকাশিত হলে ওই ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করে মুন্নাকে শনাক্তের পর গ্রেফতার করা হয়। একই দিন রূপগঞ্জ উপজেলার একটি মসজিদ থেকে মুফতি লোকমান হোসাইন আমিনীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি তার নিজ ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, মামুনুল হককে আটক করা হচ্ছে ঢাকায়। এ মুহূর্তে বেশি বেশি লোক সমাগম হওয়া প্রয়োজন। এ গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার আরও বলেন, আমরা হরতালের দিন তাণ্ডবকারীদের ভিডিও, ছবি ও ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে দেখে নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করছি। আমরা চেষ্টা করছি হেফাজতের মধ্যে থেকে কারা মূলত তাণ্ডব চালিয়ে জনগণের জানমালের ক্ষতি করেছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আটকের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। হরতালের তাণ্ডবের বহু ভিডিও এবং ছবি ইতোমধ্যে আমাদের হাতে প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত হয়েছে। অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না। সূত্র: সময় টিভি

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর