শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

দৌলতপুরে দরবার শরীফ থেকে উদ্ধার হওয়া হরিণ ২টি ফিরবে সুন্দরবনে: পীরের নামে আরও একটি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৬ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ৯:৩৫ অপরাহ্ন
bty

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের কল্যানপুরে কথিত তাছের পীরের নামে হত্যা মামলার পর বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে আরও একটি মামলা হয়েছে। এনিয়ে ওই পীরের নামে দু’টি মামলা হলো। বুধবার সন্ধ্যায় আলোচিত ওই দরবার শরীফ থেকে ২টি হরিণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় আটক করা হয় শের খান নামে দরবার শরীফের কথিত পীর তাছের ফকিরের শ্যালককে। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার, দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন সহ দিকে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত অভিযানে কল্যানপুর দরবার শরীফ থেকে হরিণ দু’টি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দরবার শরীফের কথিত পীর তাছের ফকির ও তার শ্যালক শের খানের নামে মামলা দায়ের করেছে বন বিভাগ। এনিয়ে হত্যা মামলা সহ দু’টি মামলা দায়ের হয়েছে আলোচিত কথিত পীর তাছের ফকিরের নামে।

এদিকে কল্যানপুর দরবার শরীফ থেকে উদ্ধার হওয়া হরিণ দু’টিকে সুন্দরবনে নিজ আশ্রয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। বন বিভাগের তত্বাবধানে হরিণ দু’টি চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসা শেষে তারা ফিরবে নিজ আশ্রয় সুন্দরবনে।
বন বিভাগের কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বুধবার সন্ধ্যায় কল্যানপুর দরবার শরীফের ভেতরে অবৈধভাবে আটকে রাখা বন্যপ্রাণী দু’টি হরিণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন-২০১৭ ধারায় কল্যানপুর দরবার শরীফের পীর তাছের ফকির সহ দু’জনের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। তবে মামলায় শের খান গ্রেফতার হলেও পলাতক রয়েছে দরবার শরীফের পীর তাছের ফকির। গতকাল বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়া মামলার আসামী শের খানকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া হরিণ দু’টি বন বিভাগের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাদের নিজ আশ্রয় সুন্দরবনে ছেড়ে আসা হবে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার দুপুরে মোবাইল চুরির অভিযোগে কল্যানপুরের কথিত পীর তাছের ফকিরের দরবার শরীফের ভেতরে রাশেদ নামে এক যুবককে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হলে মামলার এজাহার নামী ৬আসামী গ্রেফতার হলেও অজ্ঞাত কারণে মামলার অন্যতম হুকুমদাতা প্রধান আসামী কল্যানপুর দরবার শরীফের কথিত পীর তাছের ফকির সহ এজাহার নামীয় অপর আসামী সুজন, সালাম ও কালাম গ্রেফতার হয়নি। তবে লোকমুখে গুঞ্জন রয়েছে কথিত পীর তাছের ফকির উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেওয়ার জন্য গোপনে ঢাকায় পালিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর