বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন এর পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থ সেবা ফাউন্ডেশন জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইবিতে সভা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হলেন রজত কান্তি দেব কক্সবাজারে দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন মিরপুরে নার্সারি ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১ ইবি ও জবি’র গবেষণা সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উন্নত চিকিৎসার জন্য চ্যালেঞ্জকে ঢাকায় প্রেরণ ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালী বাউলদের উপর হামলা ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী তৎপরতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবি’র ৪৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে কাল
ঘোষণা:
দেশের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে।

কুষ্টিয়া গড়াই নদীতে ভাঙ্গন; হুমকির মুখে স্কুল-মসজিদ সহ কয়েক’শ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:১৪ অপরাহ্ন

পদ্মার প্রধান শাখা গড়াই নদী। প্রতি বছর গড়াই নদীতে পানি কম-বেশী হওয়ার সাথে অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে পড়ে কুষ্টিয়ার শতশত পরিবার। এই ভাঙ্গনের কারনে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়েক’শ পরিবার দিশেহারা। শেষ আশ্রয়টুকু হারানো সর্বশান্ত পরিবারগুলো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাস করছে, আবার অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন অন্যের বাড়ি।

গত দেড় মাস থেকে পানি কমার সাথে সাথে গড়াই নদীর ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করেছে। নদী ভাঙ্গনে কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের রেল ও সড়ক সেতুর ভাটি এলাকার কাশিমপুর, বড়–রিয়া, হাবাসপুর, এলঙ্গীপাড়া, সদকী ইউনিয়নের চর আগ্রাকুন্ডা, পাথরবাড়িয়াসহ বেশকিছু এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

কাশিমপুর গ্রামের নয়ন মোল্লা বলেন, গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধি ও কমার সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন তীব্র্ আকার ধারন করেছে। ইতিমধ্যে বাগানসহ বেশকিছু বসতভিটা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। হুমকীর মধ্যে রয়েছে শতাধিক ঘর-বাড়ি। নদীর ভাঙ্গন রোধে সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিকে এলঙ্গি গ্রাম রক্ষা বাঁধে নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে, ধ্বসে যাচ্ছে ব্লক, বাড়ছে আতংক।

নন্দলালপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাচীন কালের কুমারখালী-কাশিমপুর সড়ক অনেক আগেই গড়াই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তিনি ভাঙ্গন রোধ কল্পে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দবী জানান।

নদী ভাঙ্গনের সর্বস্ব হারানো চর আগ্রাকুন্ডা গ্রামের চাঁদ আলী বলেন, গত কয়েক বছরের ভাঙ্গনে তার সব কিছুই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নিজের ভিটেমাটি হারিয়ে সরকারী জায়গায় মাথা গোজার একটু যে আশ্রয়টুকু ছিল এবারের ভাঙ্গনে সেটাও চলে গেল।

একই এলাকার রেবেকা বলেন, নদী ভাঙ্গনে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি, ছেলে মেয়ে নিয়ে নিঘুম রাত কাটাছে তার। সব সময় আতঙ্কের মধ্যে থাকেন তিনি, কখন যেন তার শেষ আশ্রয়টুকু নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় এ আশংকা সব সময়।

এব্যাপারে কুমারখালীর নন্দলালপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান খোকন বলেন, নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, কাশিমপুর মসজিদ, এলঙ্গি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাবাসপুর এলাকার কাফির মোল্লা, কাশেম মাঝি, তক্কেল হোসেনের বাড়ী চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে। যে কোন সময় গড়াই গর্ভে বিলীন হতে পারে তাদের শেষ আশ্রয়টুকু।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, বিষয়টি আমাকে অবগত করা হয়েছে। এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন


এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর